খুজি তারে

খুজি তারে, দিবা নিশি
পাইনা খুজে, কোথায় থাকে
মনের মাঝে, নাকি দূর পাহাড়ে
দেওনা খুজে,সবাই মিলে
একলা থাকি, এই বিহনে
মন সাগরে, বেয়ে চলি
খুজে বেড়ায়, ঘাটে ঘাটে
পাইনা দেখা, তবু খুজি

বিবস্ত্র সভ্যতা

সভ্যতার কাফনে অসভ্যতাকে করি আড়াল

বর্বরতার কালিমায় কলঙ্ককিত করি পুরা জাতিকে

কি আজব প্রহসনের এক চরন গায় দিবানিশি

সারে জাহা-সে আইচ্ছা হিন্দুস্থান হামারা

সভ্যতাকে বলৎকারে পাই বর্বরাচিত পৈচাসিক সুখ

প্রফুল্ল চিত্তের রেখা ফুঠে উঠে কিছু জানোয়ারের মুখে

দারিদ্রতার কষাগাতে, বিশ্বাস করো শুধু দারিদ্রতার কষাগাতে

সর্বগ্রাসী ক্ষুদা আমার শুনে না ন্যায়-অন্যায় বাণী

অভাব নামক জন্তুটাকে তাড়াতে গিয়ে বন্ধি আমি

সভ্যতার মুখোশ ঢাকা কতিপয় বর্বর জন্তুর জালে

বর্বর মধ্যযুগ খুজে পাই আমি এই সভ্যযুগে

সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিলে আমায় বিবস্ত্র করে

এখনো তাজা ফেলানীর টকটকে লাল রক্ত মাখা জমিন

তোর চোখে কি পড়ে তা, তরতাজা ফেলানি বুলেট বিব্ধ ঘাঁ?

জানিস না ওরা আমাদের দাদা রাখি তাই সদাই তুষ্ট

চোরের দল, অন্যায়ের বিচারে তুই হস কেন রুষ্ট!

আমায় ক্ষমা করো মা

মা, তোমার জন্মের যারা করে ছিল বিরোধিতা
তোমার জন্মটাকে যারা করেছিল বিলম্বিত
আজ তারা তোমার বুকে চালায় দামী দামী গাড়ি
যার চাকায় পিস্ট হয় তোমার কোমল দেহ
তোমাকে জন্ম দিতে যারা দিয়ে ছিল প্রান
আজ তাদের কে দেওয়া হল লাথি দিয়ে সম্মান
তারা চালায় তোমার দেশ, দেখে আমার লাগে বেশ
দেই হাত তালি, তাদের মুখে শুনি ধর্মের বুলি
দেই না এখন তাদের গালি, কারন তারাও বাঙ্গালী?

প্রতিদিন তোমাকে তারা করে বলৎকার
তোমার লাল সবুজ শাড়িকে খুলে করে নগ্ন
তোমাকে নিয়ে ধ্বংস খেলায় থাকে মগ্ন
আমরা তোমার সন্তান, হা হা আমরা তোমার সন্তান
আমার সামনে তোমাকে করে ধর্ষন,
তোমার সন্তানকে করে খুন, তবুও আমরা
হা হা হা আমরা তোমার সন্তান

ধিক্কার জানাতে পারি না আমি
জানাতে পারি না আমি প্রতিবাদ
বাচাতে পারি না আমি তোমায়
তোমার ঘরের কর্তারা দেয় তাদেরকে নিরাপত্তা
আর আমাকে দেয় হুমকি
আমি নিরুপায় মা, আমাকে ক্ষমা করো
তা না হলে আমায় অভিশাপ দাও
মরে যেন হয় যায় লাশ,
যেন মিলে না তোমার বুকে আমার ঠাই
তোমার মাটিতে আমার মতো কুলাঙ্গারের
হয় না যেন কবর, আমার লাশটা
দিয়ে দিয় ঐ সব শুকনদের হাতে
এটাই হবে আমার উপযুক্ত শাস্তি

[ কিছু দিন আগে প্রথম আলোতে একটা নিজউ পড়েছিলাম, তার পরিপ্রেক্ষিতে এটা লেখা। ]

আকাশ ছুতে চাই

আকাশ ছুতে চাই আমি , আকাশ ধরতে চাই
সকাল-সাঝে অবিরত কত চেষ্টা তাই
আকাশ চড়ে দেখবো আমি দুনিয়াটা কেমন
আমি বিশাল, ক্ষুদ্র সবি কেন লাগে এমন
কত বড় আমি এখন, মনে অহংকার
আমার হয়ে মেঘরা সব দেয় হুঙ্কার
ইচ্ছে হলে তোমাদের কে দিতে পারি খরা
আমার কাছে তোমরা সবাই দিতে হবে ধরা
আকাশ চড়ে অহংকারী, করবো তোদের শাসন
রক্ত চুষে খাবো তোদের করবো আমি শোষণ
আমার হাতে স্বপ্ন বন্দী, করবি হাহাকার
ইচ্ছে মতো করবো তোদের স্বপ্ন চুরমার
মুচকি হেসে বলে কাতার, আকাশটা যার হাতে
তুলে নিলে আকাশটারে, থাকবি না ধরাতে

শূন্যতা

বেচে থাকাটাই এক অভিশাপ
শুনেছিস কি ওহে আমার জীবন,
সকাল – সাঝে তোর কাছে
চাইছি যে তাই মরন।

আয়নায় তোকে দেখে আতকে উঠি
পাইনা কোন হিসাব,
আয়না টা তুই সরিয়ে দে
জীবনটা যে এক অভিশাপ। 
তোকে খুজতে গিয়ে আমি নিজেই গেলাম হারিয়ে,
সব হারিয়ে, শূন্য আমি একা থাকি দাড়িয়ে ।

তানা হলে যত ছিল আশা
ছিল যত বিশ্বাস,
দে ফিরিয়ে প্রানটাভরে
নিতে চাই সজীব নিশ্বাস।

তাই যদি তুই না পারিস
তবে একটা কথা শোন,
আর দেরি নয় ওহে জীবন
করে দে তুই আমায় খুন।

কর্মী

মনিব তুমি , আমি ভৃত্য
তোমার কথায় করি নৃত্য
সকাল থেকে রাতে বেলা
কাজে নাইকো অবহেলা

কস্ট, দুঃখে হৃদয় ভরা
হাসি-খুশির আছে খরা
তবু আমি স্বপ্ন দেখি
মাস শেষে যে আসছে খুশি

আশায় আছি, মাসের শেষে
মজুরীটা দিবে এসে
মনিব এলো এবং গেল
আমার পাওনা , পাওনাই রইলো

আজকে সবার ভীষন মজা
কাজ নাই তাই সবাইরাজা
হেসে তারা জানতে চায়
কত পেলে তুমি ভাই?

দেয় না জবাব, চুপটি থাকি
আমারটা যে আজো বাকি